দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকদের মুখে একই অভিযোগ। তারা বলছেন, বড় মানুষ কষ্ট করতে পারে, বাচ্চারা তো পারে না। সরকারি হাসপাতালে কোনো বিছানা না পাওয়ায় বাচ্চাদের চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু তারপরও বিছানা পাওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক শিশুরই জীবনহুমকি তৈরি হবে। এদিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন সব শিশুকে চিকিৎসা দিতে। কিন্তু হামের প্রাদুর্ভাব এত বেশি যে, সবাইকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা অভিভাবকরা বলছেন, তাদের শিশুরা বমি বমি করছে, উচ্চ জ্বর আছে। কেউ কেউ বলছেন, তাদের শিশুদের পায়খানা লাল রঙের। এই অবস্থায় তারা বিভিন্ন হাসপাতালে যাচ্ছেন চিকিৎসা নিতে। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে দেখছেন বিছানা নেই। এতে তারা অনেক বেশি হতাশ। তারা বলছেন, সরকারের উচিত এই পরিস্থিতি দেখে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া। তাহলেই তাদের শিশুদের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগটি হলো একটি সংক্রামক রোগ। এটি মূলত ভাইরাল সংক্রমণের কারণে হয়। তাই এই রোগে আক্রান্ত শিশুদের অবশ্যই পৃথকভাবে রাখতে হবে। এছাড়াও তাদের সঠিক চিকিৎসা দিতে হবে। এই রোগের কারণে অনেক শিশুর জীবন হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। এই রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে সরকারকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই রোগের প্রাদুর্ভাবের ফলে অনেক শিশুর জীবন হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। এই রোগের চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। তাই অনেক শিশুর অভিভাবক চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে অবশ্যই এই শিশুদের চিকিৎসার খরচ বহন করতে হবে। এছাড়াও সরকারকে অবশ্যই এই রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা সব শিশুকে সময়মতো চিকিৎসা দিতে চাইছেন। কিন্তু হামের প্রাদুর্ভাব এত বেশি যে, সবাইকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই তারা সরকারের কাছে আরও সংস্থান সহায়তার জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, যদি সরকার তাদের সহায়তা করে, তাহলে তারা সব শিশুকে সময়মতো চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবেন।

উপসংহারে বলা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এই রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে সরকারকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও সরকারকে অবশ্যই এই শিশুদের চিকিৎসার খরচ বহন করতে হবে। তাহলেই এই শিশুদের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

By Robot