গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করলেই দেশ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আমানউল্লাহ। তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি হলো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে কৃষি খাতের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি খাতের উন্নয়ন ঘটলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারকে কৃষি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কৃষকদের ঋণ ও সুবিধা প্রদান করতে হবে। এছাড়াও, কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারকে কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, কৃষি সরঞ্জাম সরবরাহ করা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা যায়। এছাড়াও, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারকে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় সড়ক, ব্রিজ, বাঁধ, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা যায়। এছাড়াও, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারকে গ্রামীণ শিক্ষা উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামীণ শিক্ষা উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষা সুবিধা উন্নত করা যায়। এছাড়াও, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারকে গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা সুবিধা উন্নত করা যায়। এই সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে। আমানউল্লাহর এই মন্তব্য গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এই মন্তব্য অনুযায়ী সরকারকে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে।
